হোম/ঐতিহ্য

চার প্রজন্মের কাঠের কারিগরি

পূর্বপুরুষদের রক্তে মেশা কাঠের ঐতিহ্য

গ্রামের পৈতৃক কাঠের পাঠশালা থেকে আজকের আধুনিক লিভিং আর্ট গ্যালারি।

Live-edge koroi and ocean resin platter
চিত্র ১ — একটি মাত্র কড়ই কাঠের খণ্ড থেকে কাটা লাইভ-এজ প্ল্যাটার, গাজীপুরে হাতে ফিনিশ করা।
১৯৪০

যে বছর আমাদের প্রপিতামহ প্রথম নিজের হাতে একটি সেগুনের সিন্দুক তৈরি করেছিলেন।

Resin and solid wood bookends
চিত্র ২ — একই হাতের কাজ, আজকের রেজিন ও সলিড উড বুক-এন্ডসে।

কাঠের নিজস্ব ভাষা

যান্ত্রিক করাত আর কম্পিউটারের যুগে প্রবেশের বহুকাল আগেই আমাদের পূর্বপুরুষরা বুঝতে পেরেছিলেন কাঠের নিজস্ব ভাষা। একটি গাছ কাটার আগে তাঁরা মাটির আর্দ্রতা, কাঠের আঁশের টান এবং বলয়গুলো গভীর মনোযোগে পর্যবেক্ষণ করতেন।

আজও শিকড় সেই পূর্বপুরুষের নিখুঁত ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রেখেছে। নিখুঁত কাঠের জয়েন্ট, কোনো ক্ষতিকর কেমিক্যাল ছাড়া প্রাকৃতিক তেল ও মোমের প্রলেপে আমরা কাঠকে দীর্ঘস্থায়ী রূপ দিই যাতে তা টিকে থাকে বংশপরম্পরায়।

“কাঠ তাড়াহুড়া পছন্দ করে না। আগে শোনো, তারপর কাটো।”

— দাদার ওয়ার্কশপের দেয়ালে লেখা একটি কথা

প্রজন্মের ইতিহাস ও অর্জন

তিনটি দশক, একটি পরিবার, একই কাঠের প্রতি শ্রদ্ধা।

১৯৪০

গ্রামীণ পৈতৃক কর্মশালা

হাতে চালানো যন্ত্রে প্রাচীন বাড়ির কাঠের খিলান, সিন্দুক ও ঐতিহ্যবাহী খাবার টেবিল তৈরি।

১৯৮০

দেশীয় কাঠের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ

সেগুন, মেহগনি ও বিরল প্রজাতির কাঠের প্রাকৃতিক সিজনিং এবং প্রাকৃতিক ফিনিশিং-এর নিখুঁত দক্ষতা অর্জন।

২০২০

শিকড় ও আধুনিক রেজিনের যুগলবন্দী

পৈতৃক কাঠের ঐতিহ্যের সাথে স্বচ্ছ ওশান ইপোক্সি রেজিন নদী যুক্ত করে আধুনিক ঘরের উপযোগী জীবন্ত শিল্প সৃষ্টি।

এই ইতিহাসের সবচেয়ে নতুন অধ্যায়টি আপনার ঘরে জায়গা করে নিতে পারে।